728x90 AdSpace

l.effect

Blogger Tips and TricksLatest Tips For BloggersBlogger Tricks
  • Latest News

    Powered by Blogger.
    Thursday, May 21, 2015

    ফটোগ্রাফিতে কমপোজিশনের নিয়ম

     আসুন জেনে নেই কমপোজিশন সম্পর্কে

     

    কমপোজিশন –
    শট নেওয়ার জন্য কোন সাবজেক্ট নির্বাচন করার পর ভালো ফটোর জন্য আরো কিছু বিষয় নিয়ে ভাবতে হয়। যেমন সাবজেক্টটির উপরে, নিচে, ডানে, বামে কতটুকু এরিয়া ফ্রেমে আসবে, কোন পাশকে ব্যাকগ্রাউন্ডে রাখা হবে, সাবজেক্টটর অবস্থান ফ্রেমের কোন জায়গায় হবে ইত্যাদি। কম্পোজ ফটোগ্রফির খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ ফটো তোলার পর গ্রাফিক প্রোগ্রামে এডিট করে কম্পোজের সেটিংগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। কম্পোজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিম্নে আলোচনা করা হল:

    ১। ইমেজে সাবজেক্টের অবস্থান:  
    আমরা সাধারণত সাবজেক্টকে ভিউ ফাইন্ডারে প্রদর্শিত ফ্রেমের মাঝখানে রেখে সরাসরি সামনের থেকে ফটো তুলতে অভ্যস্থ। এতে ছবি হয় দ্বিমাত্রিক এবং আকর্ষণহীন। শট নেওয়ার আগে ফোকাস এরিয়াকে আপাতঃদৃষ্টিতে অনুভূমিক (horizontally) ও খাড়াভাবে (vertically) তিন অংশে বিভক্ত করুন।
    সাবজেক্টকে লাইনগুলোর যে কোন ইন্টারসেকশন পয়েন্টে পজিশন করুন। ফটোগ্রাফিতে এই টেকনিককে Rule of thirds বলে। কোন কোন ক্ষেত্রে সাবজেক্টকে ডায়েগোনালি সেটিং করলে ছবি সুন্দর হয় ও ছোট ফ্রেমে বড় সাবজেক্ট কভার করা যায়।

    ২। সাবজেক্টের গুরুত্ব: 
    আমরা ফটো তুলি সাধারণত কোন সাবজেক্টকে (ব্যক্তি, জীব, বস্তু) উদ্দ্যেশ্য করে। সুতরাং ফটোর অন্যান্য অংশের চেয়ে সাবজেক্টকে গুরুত্ব দিতে হবে বেশি। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সাবজেক্টের চতুর্পাশ্বে খালি জায়গা রাখার ও বড় ব্যাকগ্রাউন্ড নেওয়ার দরকার নাই। যতটুকু সম্ভব সাবজেক্টের কাছে এসে ছবি তুলুন। জুম দিয়ে ক্লোজআপ করার পরিবর্তে কাছে গিয়ে শট নেওয়া ভালো। কাছে যাওয়া সম্ভব না হলেই জুম ব্যবহার করুন। শট নেওয়ার আগে ভিউ ফাইন্ডারে ফোকাস ফ্রেমের চারটি কর্নারে দেখুন গুরুত্বপূর্ণ কিছু আছে কিনা। যদি না থাকে সাবজেক্টের আরো কাছে এসে ব্যাকগ্রাউন্ড ছোট করে সাবজেক্ট দিয়ে ফ্রেম কভার করুন।
    ৩। যখন কোন বিশেষ অনুভূতি:
    কোন ব্যাক্তির অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা কোন বস্তুর অংশ-বিশেষের সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়ে ছবি তুলবেন তখন সেই বিশেষ অনুভূতির বাহ্যিক প্রকাশ, অঙ্গ/অংশটুকু ক্লোজআপ করে পুরো ফ্রেম কভার করে শট নিন। এতে বিশেষ অনুভূতি/সৌন্দর্য ও ইন্টিমেসি শতভাগ ফুটে উঠবে।

    ৪। ফটোতে ব্যাকগ্রাউন্ড নির্বাচন: 
    ব্যাকগ্রাউন্ড যেন সাবজেক্ট থেকে বেশি উজ্জল বা এমন কোন রংয়ের না হয় যা সাবজেক্টকে ম্রিয়মান করে দেয়। সাবজেক্ট ও ব্যাকগ্রাউন্ডকে এমনভাবে পজিশন করতে হবে যেন ফটোতে একটা ত্রিমাত্রিক এফেক্ট আসে। সাবজেক্ট ও ব্যাকগ্রাউন্ডের মধ্যে দুরত্ব বৃদ্ধি করে শুধু সাবজেক্টের উপর ফোকাস করে গুরুত্বহীন ব্যাকগ্রাউন্ডের আকর্ষণ কমিয়ে আনা যায়।

    ৫। সঠিক ওরিয়েন্টেশন:
    সাধারণত সাবজেক্টের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ বা ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর ভিত্তি করে ফটোর ওরিয়েন্টেশনের (Horizontal/Vertical) সিদ্ধান্ত নিতে হয় কোন কোন ক্ষেত্রে ফটো Horizontal ও Vertical উভয় ওরিয়েন্টেশনেই ভালো হতে পারে।

    ৬।Point of view:
    কোন এঙ্গেল ও কোন পাশ থেকে শট নেবেন সেটাই ভিউপয়েন্ট। ফটোগ্রাফিতে ভিউপয়েন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভিউপয়েন্ট পরিবর্তন করে ফটোকে আরো আকর্ষণীয় ও ত্রিমাত্রিক করা যায়। এছাড়া ব্যাকগ্রাউন্ডেও পরিবর্তন আনা যায়। সাবজেক্ট বা ক্যামেরা অথবা উভয়ের পজিশন পরিবর্তন করে বিভিন্ন ভিউপয়েন্ট সৃষ্টি করা সম্ভব।

    ৭। Photography Poses:
    ফটোগ্রাফিতে সাবজেক্টের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, মনোগত অনুভূতি, পারিপার্শিকতা ইত্যাদি প্রকাশের শারীরিক ভাষাকেই বলে পোস। সাবজেক্টের যথার্থ পোস সহকারে শট নিতে পারলে একটি ফটো অনেকসময় একটি গল্প, ডকুমেন্ট বা ইতিহাসের মত জীবন্ত হয়ে উঠতে পারে।

    ৮।Framing
    ফ্রেমিং হচ্ছে সাবজেক্টকে ইমেজের জ্যামিতিক আকারের অন্য অংশের মধ্যে আবদ্ধ করা। এতে সাবজেক্টের আকর্ষণ বৃদ্ধি পায় এবং ফটোতে ত্রিমাত্রিক এফেক্ট ও গভীরত্ব বৃদ্ধি পায়
    • Blogger Comments
    • Facebook Comments

    0 comments:

    Post a Comment

    Item Reviewed: ফটোগ্রাফিতে কমপোজিশনের নিয়ম Rating: 5 Reviewed By: Unknown
    Scroll to Top